আন্তর্জাতিক ডেস্ত ২৬ জুলাই ২০২৬ ০১:৪১ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিত্রদের মধ্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।
শনিবার এক ভিডিও বার্তায় হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, তারা সৌদি তেল কোম্পানি আরামকোর জিজান ও ইয়ানবু এলাকার স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সৌদি আরব যদি তাদের বিরুদ্ধে হামলা চালায়, তাহলে হুথিদের পাল্টা জবাব আরও ব্যাপক হতে পারে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এর আগে হুথি বিদ্রোহীদের গণমাধ্যম জানিয়েছিল, জিজানে চালানো হামলার পর সেখানে আগুন ধরে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও এএফপি যাচাই করে দেখেছে। ভিডিওতে শহরটির আরামকোর মালিকানাধীন একটি তেল শোধনাগারের ওপর থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।’
সৌদি আরব হামলার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ জিজান ও ইয়ানবু এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে।
গ্রিক বিমান বাহিনীর কার্যালয় জানিয়েছে, শনিবার সকালে সৌদি আরবে মোতায়েন গ্রিক বাহিনীর পরিচালিত একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইয়ানবুকে লক্ষ্য করে ইয়েমেন থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পরে একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইরান-সমর্থিত হুথিরা অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরব শুক্রবার ইয়েমেনে তাদের অবস্থানে হামলা চালিয়ে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ সৃষ্টি করেছে।
ইয়েমেনের এক নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, সৌদি হামলায় হোদেইদা বন্দরের একটি নৌঘাঁটি ও কামারান দ্বীপের একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে নতুন একটি যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিত্রদের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হামলা দেখা দিয়েছে।
হোদেইদার বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী দুই সন্তানের মা ফায়জা এএফপিকে বলেন, হামলার শব্দ ছিল ‘প্রচণ্ড বজ্রপাতের মতো’।
তিনি তিনটি পৃথক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।
জায়জা আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে চাইনি যে আমরা আবারও হামলার সেই দিনগুলোতে ফিরে গেছি।’
২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি-সমর্থিত সরকারের যুদ্ধ চলছে। দীর্ঘ এই সংঘাতে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছে এবং দেশটিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
তবে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির পর দরিদ্র এই দেশটিতে বড় ধরনের সংঘর্ষ অনেকটাই থেমে ছিল।
চলতি সপ্তাহে হুথিরা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দেয় এবং লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য তেহরানকে দায়ী করা যায় না।
তিনি হুথি ও সৌদিদের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নিতে ইরানের সহায়তার প্রস্তাব দেন।
আরাকচি আরও বলেন, ‘এই সমস্যার কোনো সামরিক সমাধান নেই।’
এই নৌ-হুমকির পাশাপাশি ইরান হরমুজ প্রণালী অবরোধের পদক্ষেপ নিয়েছে, যা বর্তমানে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনার প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী শনিবার জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা চারটি জাহাজ তারা আটকে দিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, শনিবার হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি ট্যাংকার জাহাজ ও অজ্ঞাত সামরিক বাহিনীর মধ্যে নতুন একটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো হামলার ঘোষণা দেয়নি। দুই পক্ষের টানা ১৩ রাতের বোমা হামলার পর এটিই ছিল প্রথম বিরতি।
সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ইরানের বিরুদ্ধে ১৪তম রাতের হামলার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিল। তবে ট্রাম্প তা অনুমোদন না করে নতুন করে আলোচনার পথ বেছে নিয়েছেন।
শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করবেন কি না, সে বিষয়ে তিনি এখনো সিদ্ধান্ত নেননি।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা এখন তাদের সঙ্গে কথা বলছি। আমি মনে করি দিন যত যাচ্ছে, তারা আরও বেশি গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি দেখছে এবং সম্ভবত এর কারণ স্পষ্ট।’
ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামনে দুটি পথ রয়েছে-একটি হলো চুক্তিতে পৌঁছানো, অন্যটি হলো আরও ‘বড় মাত্রার’ হামলার মুখোমুখি হওয়া। এর আগে দুই সপ্তাহের মার্কিন হামলায় এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে।
এক সময় ট্রাম্প যে যুদ্ধকে চার-পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে ধারণা করেছিলেন, তা এখন পঞ্চম মাসের দিকে এগোচ্ছে। এই দীর্ঘ সংঘাত আগামী নভেম্বরের গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার জনপ্রিয়তার ওপরও প্রভাব ফেলছে।
মমেক হাসপাতালের অনিয়ম অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
জুলাই যোদ্ধা তানভিরুলের নিভৃত গ্রামে ইউএনও: শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা
জয়পুরহাটে দিলীপ কুমার মাঝি হত্যা মামলায় ২৩ বছর পর একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
লালমনিরহাটে বাঘের আক্রমণে আহত ৩, ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বিজিবি
জয়পুরহাটে বিভিন্ন পূজা মন্ডপে এসআরবির টহল জোরদার
লালমনিরহাটে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত
জয়পুরহাটে শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে বিজিবির কড়া নিরাপত্তা: মণ্ডপ পরিদর্শনে ২০ বিজিবি অধিনায়ক
দুলাভাইয়ের সাথে দেখা করে বাড়ি ফিরা হলোনা বিকাশের
মেয়াদের পরও দেদারছে চলছে বালু লুট: নেপথ্যে কর্মকর্তা-ইজারাদার সিন্ডিকেট
জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: যুবকের মৃত্যুদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা
মানব পাচার চক্রের দুই মূলহোতাসহ কেরানীগঞ্জে ৪৬৩ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি - ১০
ময়মনসিংহে শাপলা মহিলা সংস্থার সাংবাদিকদের সাথে সেমিনার
জয়পুরহাট কিডনি বিক্রি করেও ঘোচেনি অভাব, কালাইয়ে ট্রান্সফরমার চুরির মামলায় গ্রেপ্তার ছামছুল
লাকসামে সামাজিক সংগঠনগুলোর মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশুদের পরিবেশ দূষণের প্রভাব নিয়ে পলিসি ডায়ালগ
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে প্র'কাশ্যে চলছে অ'বৈধ বো'মা মে'শিন দিয়ে বালু ও পাথর উত্তোলন
স্কলারশিপ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাড়ি জমালেন শেরপুরের আবু বকর সিদ্দিক
রাজউকের জোন ৪/২ অথরাইজড অফিসার হাসানুর রেজার দুর্নীতির মহাকাব্য
গাবতলীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পৌর বিএনপির র্যালি ও মতবিনিময়
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ক্লিনিং ডে ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
লালমনিরহাটে নয় বছর পর এসিডদগ্ধে গৃহবধূর মৃত্যু! আসামী গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন
ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
মমেক হাসপাতালে কেউ পদদলিত হয়ে মারা যায়নি : বিভাগীয় কমিশনার
ফরিদপুরে সওজের জমি ও হাসপাতাল এলাকার দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ফরিদপুরের সালথায় গোয়ালঘরে বসবাস করা সোহেল-ঝর্ণার পাশে উপজেলা প্রশাসন, ঘর-দোকান নির্মাণের উদ্বোধন
লাকসামে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজনের
ঝুঁকিপূর্ণ মল্লিকবাড়ি-পাঁচগাও সড়কে বাঁধলো স্বস্তি
জয়পুরহাটে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে তিনজনের কারাদণ্ড
জাতভেদে ছড়া ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা, সরবরাহ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার আক্ষেপ